মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

মধ্যপ্রাচ্য



ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশ: ২০২২-০৫-১৪ ০৭:০৭:২২


অর্থপাচারকারী পিকে হালদার ভারতে গ্রেপ্তার

বাংলাদেশর টাকা লোপাট ও পাচারকারী প্রশান্ত কুমার ওরফে পিকে হালদারকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)।

তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা লোপাট ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। শনিবার (১৪ মে) সকালে পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালিয়ে পিকে হালদারকে গ্রেপ্তার করেছে।

এর আগে পিকে হালদারের সহযোগীদের সন্ধানে ভারতের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় সে দেশে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুদকের অনুরোধে ভারতে এ অভিযান চালানো হয়।

শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের কমপক্ষে ৯ স্থানে একযোগে অভিযান চালায় ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রী গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তারা কয়েকটি অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছেন। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্ব¡পূর্ণ অনেক নথি জব্দ করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে পিকে হালদারের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি আছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। পিকে হালদারের আয়কর আইনজীবী ছিলেন সুকুমার মৃধা। পিকে হালদারের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে সুকুমার মৃধাকে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের ২ মামলায় আসামি করা হয়।

এরপর দুদক তাকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। ভারতের কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সুকুমার মৃধার বিশাল বিলাসী বাড়ির সন্ধান পেয়েছে ভারতের ইডি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সুকুমারকে তারা মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে চিনতেন। পিকে হালদার ও সুকুমার মৃধা অশোকনগরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী। ইডি ধারণা করছে, দীর্ঘদিন ধরে এই দুইজনের যোগসাজশে এনআরবির বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

শনিবার সংস্থাটির এক সংবাদ-বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট (ইডি) থেকে বলা হয়, পিকে হালদার সে দেশে শিবশঙ্কর হালদার নাম ধারণ করেছিলেন। এই নামে তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে রেশন কার্ড করে নেন। এমনকি ভারতীয় ভোটার কার্ড, প্যান ও আধার কার্ডের মতো বিভিন্ন সরকারি পরিচয় জালিয়াতি করে তিনি নিজেকে শিবশঙ্কর হালদার বানিয়ে নেন। এছাড়া তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবেও জাহির করছিলেন।


ডেসিস/জকে/ ১৪ মে ২০২২ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code