বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

সিলেট



নিজস্ব প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২০২৩-১১-২৯ ১০:০৭:৫৯


মানুষের কল্যাণে কাজ করতেই এমপি প্রার্থী হয়েছি : মতবিনিময়ে মেয়র মুহিবুর

সিলেট-২ আসন

বক্তব্য রাখছেন মেয়র মুহিবুর রহমান

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র মুহিবুর রহমান।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্বনাথ পৌরসভার নতুন বাজারস্থ তাঁর নিজ বাসভবনের সামনে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সূধী সমাশে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতা ঘোষনা করেন তিনি।

মতবিনিময় শেষে ওইদিন বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে তিনি তাঁর মনোনয়নপত্রও দাখিল করেছেন। এসময় তাঁর পিএস অ্যাডভোকেট জাাহেদ সুমন ও  আদনান মুহিব রহমানসহ তাঁর দুই ছেলে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

মতবিনিময় ও সূধী সমাবেশে বক্তব্যকালে মেয়র মুহিবুর রহমান বলেন, পদে থেকেই আমি সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কারণ পৌরসভার পরিধি অত্যন্ত সীমিত। ইচ্ছা থাকলেও অনেক কাজ করা সম্ভবপর হয়না। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।

বিশেষ করে গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি মানবকল্যাণে কাজ করাই হচ্ছে আমর আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবো।

যদিও মেয়র পদে থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করা আমার জন্য চ্যালেঞ্জের। কিন্তু তারপরও আমি সেই চ্যালেঞ্জ নিতে চাই।

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ১৯৮৫ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। তারপর ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এই দু’বারে বিশ্বনাথের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন তিনি। যা বিশ্বনাথবাসী অবগত।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়ার কথা থাকলেও লন্ডন থেকে এসে শফিকুর রহমান চৌধুরী সে সময় দলীয় মনোনয়ন পেয়ে যান। তখন তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নও দাখিল করেছিলেন। কিন্তু দলের হাই কমান্ড থেকে যোগাযোগ করায় নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ান তিনি।

এরপর ২০১৪ সালের সালের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে তাকে মনোনয়ন দেয়ার কথা থাকলেও শরিক দলকে এই আসন ছেড়ে দেয়া হয়। তারপর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন, কিন্তু ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে ফেল করান। তারপর ২০১৮ সালেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হন, কিন্তু নির্বাচিত হতে পারেননি।

তারপর ২০২২ সালে পৌরভা নির্বাচন আসে। ওই নির্বাচনে বিশ্বনাথের জনগণ তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে বলায় তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হন এবং ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী থেকে ৫হাজার ২১১ ভোট বেশি পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন।

মতবিনিময় ও সূধী সমাবেশে  স্থানীয় সাংবাদিকরা ছাড়াও মতবিনিময় মুরব্বি ওয়ারিছ খান, বৃক্ষ-প্রেমিক আব্দুল গফফার উমরাহ মিয়া, পৌরসভার কাউন্সিলর জহুর আলী, বারাম উদ্দিন, মুহিবুর রহমান বাচ্চু, নারী কাউন্সিলর সাবিনা ইয়াসমিন, রাসনা বেগম, লাকী বেগম, সমাজসেবক আব্দুল ছালিক, মুহিব উদ্দিন, আব্দুশ শহিদ মেম্বারসহ দুই শতাধিক লোজকন উপস্থিত ছিলেন।


ডেসিস/জেকে/২৯ নভেম্বর ২০২৩ইং

শেয়ার করুন

পাঠকের মতামত

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Sidebar Google Ad Code